সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৫] :: SEO এর মারাত্মক কিছু আলোচনা
জুন 11, 2012
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৫] :: SEO এর মারাত্মক কিছু আলোচনা
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০১] :: ফোরাম পোস্টিং-০১
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০২] :: ফোরাম পোস্টিং-০২
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৩] :: ফোরাম পোস্টিং-০৩
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৪] :: ফোরাম পোস্টিং-০৪
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৫] :: SEO এর মারাত্মক কিছু আলোচনা
আসসালামালাইকুম। সবাই আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আপনাদের দোয়াই আমি ও ভালো আছি। টিউন করার আগে আমি খুব দুঃখ প্রকাশ করছি, এই কারনে যে টিউন করতে অনেক দেরি হল এর জন্য। আসলে অনেক ব্যস্ততার মধ্যে থাকতে হই এই জন্য সময় মত টিউন করতে পারি না। যাই হক ফেসবুক এ আমারে অনেকে বকা দিছে টিউন করতে ছিলাম না বলে। সবার কাছে আবার সরি জানিয়ে আজকের টিউনটি শুরু করতেছি।
টিউন করার আগে আপনাদের কাছে আমার একটা কমপ্লেন আছে। কমপ্লেন টা হল আমি আপনাদের কাছ থেকে কোন প্রকার সাড়া পাচ্ছি না। আমার টিউন ভাল হচ্ছে না খারপ হচ্ছে কিছুই জানাচ্ছেন না। আপনারা না জানালে আমি কি করে বুঝব আমার টিউন আপনাদের কেমন লাগছে। এই টিউন এ কিন্তু জানাবেন ভাল হচ্ছে না খারাপ হচ্ছে।
আজকে আমি আপনাদেরকে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন জগতে ব্যবহৃত হয় এমন কিছু প্রয়োজনীয় শব্দের আলোচনা করব। যেগুলা জানলে আপনারা সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে অনেকটা ধারনা হবে। সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন মূলত ২ ভাবে ব্যবহৃত হই।
১) হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO)।
২) ব্ল্যাক হ্যাট এসইও (Black hat SEO)।
হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO) আবার ২ প্রকারঃ (১) অনপেজ অপটিমাইজেশন।
(২) অফপেজ অপটিমাইজেশন।
যাই হক আজকে অনপেজ এর অফপেজ সম্পর্কে আলোচনা করব না। আজ হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO) এবং ব্ল্যাক হ্যাট এসইও (Black hat SEO) সম্পর্কে আলোচনা করব। নিচে সুন্দর ভাবে তুলে দিলাম।
**** ১) হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO): সার্চ ইন্জিনের গাইডলাইন বা নীতিমালা ভঙ্গ না করে যদি SEO করেন তাহলে এ ধরনের অপটিমাইজেশনকে বলে হোয়াইট হ্যাট এসইও।এসব গাইডলাইন বা নীতিমালার মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ন নীতিটি হচ্ছে ওয়েবসাইট মানুষের জন্য তৈরী করুন যা উপকারী,সার্চ ইন্জিনের জন্য নয়।অন্যান্য নীতিমালার মধ্যে আছে ব্যাকলিংক,লিংক পপুলারিটি,কিওয়ার্ড গবেষনা,লিংক বিল্ডিং ইত্যাদি।হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO) কে এথিকাল এসইও (Ethical SEO) বলা যায়। হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO) হচ্ছে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর প্রান বলা যাই।
ব্যাকলিংক (Backlink):অন্য একটা সাইটে আপনার সাইটের লিংক থাকলে এটা আপনার সাইটের জন্য ব্যাকলিংক।হতে পারে এই লিংক আপনার সাইটের হোমপেজ বা অন্য কোন পেজ এর লিংক।ব্যাকলিংক কে ইনকামিং লিংক বা ইনবাউন্ড লিংকও বলে। এটা হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO) এর মধ্যে।
আউটবাউন্ড লিংক (Outbound link):আউটবাউন্ড লিংক হচ্ছে ব্যাকলিংকের বিপরীত অর্থ্যাৎ অন্য সাইটের লিংক যদি আপনার সাইটে থাকে।আউটবাউন্ড লিংক কে আউটগোয়িং লিংকও বলে।এটা ও হোয়াইট হ্যাট এসইও (White hat SEO) এর মধ্যে।
কিওয়ার্ডঃ কি ওয়ার্ড হল ইনডেক্স একটা শব্দ, বিষয় শব্দ, বিষয় শিরোনাম, বা তথ্য আহরণ মধ্যে বর্ণনাকারী। একটি শব্দ যে একটা ডকুমেন্টের বিষয়ের মূল captures. । আসলে মুল কথা হচ্ছে ছোট একটা শব্দের মধ্যে দিয়ে অনেক বড় জিনিষের সমাহার থাকে। এইটা আসলে মুখে ছাড়া লিখে ভাল ভাবে আপনাদের সামনে উপস্থাপনা করা আমার পক্ষে কষ্টকর হয়ে জাচ্ছে।
ইন্টারনাল লিংক (Internal Link): এটা হচ্ছে আপনার সাইটেই এক পেজে অন্য পেজের লিংক।এটা অত্যন্ত গুরত্বপূর্ন ।যেমন আপনার সাইট এ যদি ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল থাকে তাহলে একপেজ থেকে তারপরের পেজে যাওয়ার জন্য আগের পেজে এনকর টেক্সট দিয়ে লিংক দিবেন।এটা আপনার সাইটের ব্যাকলিংক হিসেবে কাজ করবে।এতে পেজর্যাংক বাড়ে।উইকিপিডিয়ার সাইটে দেখবেন প্রতি লাইনেই কতগুলি করে তাদেরই সাইটের লিংক থাকে।
কিওয়ার্ড ডেনসিটি (Keyword Density):একটা পেজে কোন একটা নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড কতবার ব্যবহৃত হয়েছে এটা কিওয়ার্ডটির ডেনসিটি।
লিংক পপুলারিটি (Link Popularity):এটা হচ্ছে একটা সাইটরে মান কিরকম তা নির্নয়ের জন্য,এটা কোয়ালিটি ইনবাউন্ড লিংকের (ব্যাকলিংক) উপর ভিত্তি করে হয়ে থাকে।সার্চ ইন্জিনগুলি লিংক পপুলারিটির উপর ভিত্তি করে তাদের এলগরিদম তৈরী করে থাকে যে একটা সাইট সার্চ ইন্জিন রেজাল্ট পেজে (SERP) কোথায় থাকবে।
গেটওয়ে বা ডুরওয়ে পেজ (Doorway page): এটা হচ্ছে এমন পেজ বানানো যেখানে খুব অল্প কয়েকলাইন থাকে আর এসব লাইনে শুধু কিওয়ার্ড থাকে ফলে সার্চ র্যাংকিং বাড়ে কিন্তু ইউজারদের জন্য তেমন কোন তথ্য থাকেনা।এই পেজে গেলে অন্য কোন পেজের লিংক থাকে বা রিডাইরেক্ট করে অন্য পেজে নিয়ে যায়।এটাকে এন্ট্রি পেজ,পোর্টাল পেজ,জাম্প পেজ,ব্রিজ পেজ ইত্যাদি বলা হয়ে থাকে।এ
****২) ব্ল্যাক হ্যাট এসইও (Black hat SEO): এটা হোয়াইট হ্যাটের বিপরীত অর্থ্যাৎ সার্চ ইন্জিগুলির দেয়া নিয়মানুযায়ী অপটিমাইজ করলেননা।ব্ল্যাক হ্যাট এসইও টেকনিকের মধ্যে আছে কিওয়ার্ড স্টাফিং,ক্লকিং,অদৃশ্য টেক্সক্ট ইত্যাদি।একে আনএথিকাল (Unethical SEO) এসইও বলা যায়।
ক্লকিং (Cloaking): এটা এমন একটা টেকনিক যেটা সার্চ ইন্জিনকে এক ধরনের কনটেন্ট দেখাবে আর ইউজারকে অন্যরকম কনটেন্ট দেখায়।এই পদ্ধতিটি তে যখন সার্ভারে কোন পেজের জন্য রিকোয়েস্ট যায় তখন আইপি এড্রেস বা ইউজার এজেন্ট দেখে বুঝে ফেলে এটা কোন সার্চ ইন্জিনের বট/ক্রাউলার/স্পাইডার/স্কুটার নাকি মানুষ।যখন দেখে স্পাইডার তখন এক ধরনের পেজ দেখায় আর মানুষ হলে আরেক ধরনের পেজ। এইটা ব্ল্যাক হ্যাট এসইও (Black hat SEO)।
লিংক ফার্ম (Link farm): লিংক ফার্ম হচ্ছে বেশ কিছু ওয়েবসাইট খুলে প্রতিটি সাইটের লিংক প্রতিটি সাইটে দেয়া।ফলে প্রতিটি সাইটের ব্যাকলিংক বৃদ্ধি পেল।এসব ধরা পরলে আপনার সাইটকে স্পামডেক্সিং এ গগনা করবে।
স্পামেডেক্সিং হচ্ছে সার্চ ইন্জিন আপনার সাইটকে এমনভাবে চিহ্নিত করবে যেন আপনি তাদের দেয়া গাইডলাইন ভঙ্গ করেছেন।আপনার সাইটকে যদি সার্চ ইন্জিন স্পামডেক্সিং করে ফেলে তাহলে আপনার পুরো SEO ব্যর্থতায় পর্যবশিত হল।বিভিন্ন কারনে আপনার সাইটকে স্পামডেক্সিং করতে পারে যেমন লিংক ফার্ম করলে,কিওয়ার্ড স্টাফিং করলে,ডুরওয়ে (Doorway pages) পেজ বানালে,ক্লকিং, সোজা কথা ব্ল্যাক হ্যাট এসইও করলে।
কিওয়ার্ড স্টাফিং (Keyword Stuffing):এটা ব্ল্যাক হ্যাট এসইও’র অংশ।ইউজার যেসব কিওয়ার্ড লিখে সার্চ দিতে পারে এধরনের কিওয়ার্ডগুলি দিয়ে পেজ ভর্তি করা অর্থ্যাৎ কিওয়ার্ড ওভারলোডিং।অনেকসময় ইনপুট ট্যাগে hidden এট্রিবিউট দিয়ে এধরনের কিওয়ার্ড ঢুকিয়ে দেয় ফলে ইউজারের কাছে এসব টেক্সট অদৃশ্য থাকে আর সার্চ ইন্জিনকে এসব পড়তে হয়।আবার পেজের রং যা আছে টেক্সটের রংও তাই করে দেয় ফলে ইউজার দেখতে পারেনা কিন্তু সার্চ ইন্জিন দেখে।কিওয়ার্ড স্টাফিংকে অনেক সময় কিওয়ার্ড লোডিং বলা হয়।এইটা ব্ল্যাক হ্যাট এসইও (Black hat SEO)।
*** ট্রাফিক (Traffic): কোন সাইট কত ভিজিট হচ্ছে এটা হচ্ছে সেই সাইটের ট্রাফিক।কোন সাইটের ট্রাফিক বাড়ছে অর্থ্যাৎ সেই সাইটের ভিজিট বাড়ছে। এই টা কেই ট্রাফিক বলে। অনেকে ট্রাফিক বললে বুজতে পারে না। অবশ্য আমি ও এক সময় বুঝতাম না (হা হা হা হা হা হা)।
আজকে আমরা অনেক কিছু শিখে ফেললাম। আশা করি সবার কাজে লাগবে। এই টা হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর বেসিক। তাই এই বেসিক সম্পর্কে ধারনা না থাকলে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখা কনভাবে সম্ভব না। আগামী পর্বে কি ভাবে গুগলে কি- ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দিতে হই সেইটা শেখাব।
যদি কোন প্রকার সমস্যা হই বুঝতে তাহলে আমদের ফেসবুক গ্রুপে এসে বলবেন।গ্রুপে আসার পূর্বে অবশ্যই গ্রুপের নীতিমালাটা পড়ে নিবেন। কারন আমাদের গ্রুপে খুব কড়াকড়ি ভাবে নিয়ম মেনে চলা হই।
গ্রুপ এর ঠিকানাঃ আউটসোর্সিং অফ বাংলাদেশ
***আউটসোর্সিং এর সব মারাত্মক খবর জানতে এই পেজটা লাইক মারেন।আপনাদের কাছে আমার অনুরধ রইল। যদি সামান্য উপকার হই পড়ে তাহলে পেজটা একটু লাইক করেন । আপনারা লাইক করলে আমার কোন টাকা-পয়সা হবে না। কিন্তু সবাইকে ভাল নিউজ দিয়ে নিজের মনটাকে ভাল রাখতে পারব। ***
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৪] :: ফোরাম পোস্টিং-০৪
জুন 4, 2012
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৪] :: ফোরাম পোস্টিং-০৪
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০১] :: ফোরাম পোস্টিং-০১
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০২] :: ফোরাম পোস্টিং-০২
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৩] :: ফোরাম পোস্টিং-০৩
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৪] :: ফোরাম পোস্টিং-০৪
আসসালামালাইকুম। সবাই আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আপনাদের দোয়াই আমি ও ভালো আছি। তবে বেশি একটা ভাল না,আমার মাথাই সমস্যা হইছে। দোয়া করবেন আমার জন্য যেন আপনাদের মাঝে আবার যেন সুস্থ ভাবে ফিরে আসতে পারি।
যাই হোক ১২ দিন পর আবার আজকে একটা নতুন টিউন লিখছি। আজকে আলোচনার তেমন কিছু নাই। তবে অনেকেই মাইক্রোওয়াকারস্ এর ফোরাম পোস্টিং জবের বিষয়টা লিখতে বলছেন। আমি লিখবো তবে মাইক্রোওয়াকারস্ এর সার্ভার এর সমস্যা হচ্ছে। লিঙ্ক সাবমিট করলে সাবমিট হচ্ছে না। এই জন্য লিখতে পারলাম না। তবে সমস্যার সমাধান হলে লিখবো। আর ফোরাম পোস্টিং এর একটি মারাত্মক টিউন আছে যেইটা এখন বললে কেহ করতে পারবে না (যারা নতুন তাদেরকে বলছি)। এর জন্য আগে লিঙ্কবিল্ডিং ভালো ভাবে জানতে হবে। তো আগে লিঙ্কবিল্ডিং সম্পর্কে আলোচনা করবো তারপর ফোরাম পোস্টিং এর সেই মারাত্মক পর্বটা লিখবো।
ওহ! একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা ভুলে গেছি। ৩-৪ জন আমাকে বলছিল ভাই ফোরাম গুলো পাব কিভাবে?
ভাল একটা প্রশ্ন করেছে। নতুনদের জন্য আসলে এই প্রশ্ন টা খুবই দরকার । উত্তরটা খুবই সহজ। গুগল মামা থাকতে আমাদের তো কোনরকমের সমস্যা থাকার কথা না। আপনার মনে যে ধরনের ফোরামে যেতে মনে চাবে সেই ধরনের ফোরামের নাম গুগল মামার বক্সে লিখে সার্চ দিলে হবে। মনে করেন আপনার এখন মনে চাচ্ছে স্টুডেন্ট ফোরামে যেতে । গুগলে যায়ে স্টুডেন্ট ফোরাম লিখে সার্চ দিলেই হবে। হাজার হাজার সাইট চলে আসবে। এই ভাবে বিভিন্ন ফোরামে যেতে হবে।
যাই হোক কথা দেওয়া ছিল আজ পাওয়ার ফুল কিছু ফোরামের লিস্ট দিব। নিচের লিঙ্কে ঢুকে অনেক গুলা ডুফলো পাওয়ার ফুল ফোরাম দেওয়া আছে। এখান থেকে নিতে পারবেন।
http://www.techknowl.com/dofollow-forums-allowing-signature-link.html
সামনের পর্বে গুগলে কিভাবে কি -ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দিতে হই সেইটা শিখাব। এবং সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর কিছু পরিচিতি দেখাব। যাই হোক আজ আর নই সামনের পর্বে আবার দেখা হচ্ছে। ধন্যবাদ সবাইকে। আল্লাহ হাফিজ।
আর যদি কোন সমস্যাই পড়েন তাহলে আমদের ফেসবুক গ্রুপে এসে বলবেন।গ্রুপে আসার পূর্বে অবশ্যই গ্রুপের নীতিমালাটা পড়ে নিবেন। কারন আমাদের গ্রুপে খুব কড়াকড়ি ভাবে নিয়ম মেনে চলা হই।
গ্রুপ এর ঠিকানাঃ আউটসোর্সিং অফ বাংলাদেশ
***আউটসোর্সিং এর সব মারাত্মক খবর জানতে এই পেজটা কুপাই লাইক মারেন।***
আউটসোর্সিং নিউজ অ্যান্ড সল্যুশন
আমার পূর্ববর্তী টিউন এর লিঙ্কঃ
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেসন: পর্বঃ ০১ [ফোরাম পোস্টিং--০১]
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৩] :: ফোরাম পোস্টিং-০৩
জুন 4, 2012
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৩] :: ফোরাম পোস্টিং-০৩
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০১] :: ফোরাম পোস্টিং-০১
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০২] :: ফোরাম পোস্টিং-০২
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৩] :: ফোরাম পোস্টিং-০৩
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৪] :: ফোরাম পোস্টিং-০৪
আসসালামালাইকুম। সবাই আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আপনাদের দোয়াই আমি ও ভালো আছি। এক সপ্তাহ পর পর লেখার কথা ছিল। কিন্তু কলেজ ছুটির জন্য বাসাই বেড়াতে গেছিলাম। আর এই জন্য লেখা হই নি। কলেজ আবার খুলছে এখন আবার নিয়মিত লিখব। যাই হোক ফোরাম পোস্টিং পর্বটা এই পর্বেই শেষ করতে চাইছিলাম। কিন্তু অনেকে একটা প্রশ্ন করছে। সেই জন্য সামনের পর্বে ফোরাম পোস্টিং শেষ হবে।
সবাই যে প্রশ্ন করছে যে ভাই ফোরাম এ গিয়ে আমরা অন্য একটি টপিকস সম্পর্কে জানব তখন কি করবো ?
আসলে এই টা খুবই সহজ। কিন্তু আপানারা এই টা একটুও নাড়ানাড়ি করেন নি। তাই পারছেন না। আমার পোস্ট টা যেহেতু সম্পূর্ণ নতুন দের নিয়ে লেখা। তাই তাদের সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয়ে আমি আলোচনা করবো। আসল কথাই আসি। আমি নিচে স্ক্রীনশট দিয়ে স্টেপ বাই স্টেপ দেখাচ্ছি।
আমারা প্রথম যে কোন একটা ফোরামে যাই। আমরা যে ফোরাম টা নিয়ে কাজ করছিলাম সেই ফোরামে যাই। http://www.adsenseforums.net/ইউজার নেম এবং পাসওয়ার্ড দিই। অ্যাকাউন্ট ওপেন হওয়ার পর নিচের পেজটা আসবেঃ
এখানে অনেক গুলা টপিকস দেখা যাচ্ছে। আপনি মনে করেন অ্যাডসেন্স আরনিং সম্পর্কে জানবেন। তাহলে Adsense Keywords & Earningsনামক এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। নিচের পেজে মার্ক করে দেখানো হইছে।
এখন এখান থেকে নিউ টপিকস এ ক্লিক করুন । ধরুন টপিকস এ টাইটেল দিলাম “Adsense Earning” . এরপর এর সম্পর্কে কিছু লিখেন। নিচের ছবির মত দেখাবে।
এখন দেখুন আপনার পোস্ট টি শো করছে । এবং অন্যরা আপনার পোষ্টটি পড়ে সল্যুশন দিচ্ছে।
এভাবে আপনি যে টপিকস জানতে চাবেন । সেই টপিকস এ ক্লিক করুন এবং আপনার প্রবলেম শেয়ার করুন। আপনি যদি কোন টপিকস এর সম্পর্কে ভালো জানেন। টা হলে উত্তর দিন। আপনি যত উত্তর দেবেন তত আপনার সাইট টা প্রচার হবে। এভাবে করতে থাকেন দেখেন আপনার সাইট এ যেমন ট্রাফিক আসছে ঠিক তেমন গুগলে আপনার সাইট ও উঠতে থাকছে।
SEO(Search Engine Optimization) এর একটা গুরুত্বপূর্ণ সাবজেক্ট হচ্ছে ফোরাম পোস্টিং। আমার মনে হই ফোরাম পোস্টিং নিয়ে আর কারোর কোন প্রবলেম থাকার কথা না। যদি থাকে তা হলে কমেন্ট করে জানাবেন। অথবা আমাদের ফেসবুক গ্রুপে এসে আপনার প্রবলেম শেয়ার করতে পারেন। গ্রুপ এর ঠিকানাঃhttps://www.facebook.com/groups/bangladeshoutsourcing/
গ্রুপে আসার পূর্বে অবশ্যই গ্রুপের নীতিমালাটা পড়ে নিবেন। কারন আমাদের গ্রুপে খুব কড়াকড়ি ভাবে নিয়ম মেনে চলা হই। যাই হোক পোষ্টটা কেমন লাগছে বলতে ভুলবেন না। লেখার বানান ভুল হয়ে গেলে বলেন। দয়া করে কেউ খারাপ মন্তব্য করবেন না। কারন আমি বাংলা লিখতে পারি না। বহুত কষ্ট করে আপনাদের জন্য লিখি। এই টুকু লিখতে যায়ে আমার প্রাই ২ ঘণ্টা লেগে গেছে। আজ এই পর্যন্ত আবার সামনের সপ্তাহে দেখা হবে। সামনের পোস্টে কিছু পাওয়ার ফুল ফোরাম লিস্ট দিব। যা আপনার সাইট কে আর পাওয়ার ফুল করে তুলবে। ধন্যবাদ সবাইকে। আল্লাহ হাফিজ।
আমার পূর্ববর্তী টিউন এর লিঙ্কঃ
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০২] :: ফোরাম পোস্টিং-০২
জুন 4, 2012
Uncategorized signature মন্তব্য দিন
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০২] :: ফোরাম পোস্টিং-০২
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০১] :: ফোরাম পোস্টিং-০১
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০২] :: ফোরাম পোস্টিং-০২
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৩] :: ফোরাম পোস্টিং-০৩
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৪] :: ফোরাম পোস্টিং-০৪
আসসালামালাইকুম। সবাই আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আপনাদের দোয়াই আমি ও ভালো আছি। গত পোস্টে আমি আপনাদের কে একটা ফোরামে গিয়ে কিভাবে Signature করতে হই সেইটা দেখাইছিলাম। কিন্ত বড় কথা হচ্ছে সব ফোরামে Signature পাবেন না।তখন কি করবেন? চিন্তাই পড়ে গেছেন। কোন চিন্তা করার দরকার নেই।
কোন ফোরামে যাওয়ার আগে ফোরামের Privacy খুব মন দিয়ে পড়তে হবে। কোন ফোরামে Signature দেওয়া থাকবে আবার কোন ফোরামে Signature দেওয়া থাকবে না। কোন ফোরামের Privacy খুব মন দিয়ে পড়তে বলছি এই জন্য যে ফোরামের Privacy এর ভিতর দেওয়া থাকে যে আপনি ৫/৬/৭/৮/৯/১০………………টা পোস্ট দিলে আপনাকে Signature নামক অপশনটা দেওয়া হবে। আমি আপনাদের কে এই রকম একটা ফোরাম এর নাম বলছি http://forums.digitalpoint.com/ । এই ফোরামে গিয়ে পূর্ববর্তী ফোরামের মত কাজ করতে হবে।
গত ফোরামে ঠিক যে ভাবে করেছেন সেইভাবে পোস্ট করতে হবে। এভাবে ১০ টা পোস্ট হলে আপনাকে Signature নামক অপশনটা দিবে। তখন আপনি ও আপনার কাজটা সেরে ফেলুন। যেমন ভাবে পূর্ববর্তী ফোরাম এ করেছিলেন।
তা হলে আজ এই পর্যন্ত ।পরবর্তী টিউন এ কিছু পাওয়ার ফুল ফোরাম এর লিস্ট দেওয়া হবে। । আবার সামনে সপ্তাহে আসছি নতুন কিছু টিউন নিয়ে। আশা করছি টিউনগুল সবার ভালো লাগবে।
আমার পূর্ববর্তী টিউন এর লিঙ্কঃ http://www.techtunes.com.bd/freelancing/tune-id/116411
SEO সম্পর্কে কোনরকম কোন প্রশ্ন থাকলে আপনি যোগাযোগ আমাদের ফেসবুক গ্রুপেঃ https://www.facebook.com/groups/bangladeshoutsourcing/
পোস্ট টি ভালো বা খারাপ হলে জানাবেন। কমেন্ট করতে ভুলবেন না।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০১] :: ফোরাম পোস্টিং-০১
জুন 4, 2012
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০১] :: ফোরাম পোস্টিং-০১
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০১] :: ফোরাম পোস্টিং-০১
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০২] :: ফোরাম পোস্টিং-০২
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৩] :: ফোরাম পোস্টিং-০৩
- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সমগ্র [পর্ব-০৪] :: ফোরাম পোস্টিং-০৪
আসসালামালাইকুম। সবাই আশা করি আল্লাহর রহমতে ভাল আছেন। আমি আমার জীবনে এই প্রথম টিউন করসি। জানিনা কেমন লাগবে আপনাদের। ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন এবং জানাবেন। যাই হোক আপনাদের কাছে আমি নতুন একটা পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম। আজ আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে ফোরাম পোস্টিং করতে হই।
প্রথমে আপনি যে কোন একটি ফরম এ যাবেন। ধরুন আমরা একটা ফোরাম http://www.adsenseforums.net/এই টাইতে গেলাম। এখানে আপনি প্রথমে একটা নতুন অ্যাকাউন্ট করুন। ইমেইল কনফার্ম করুন।এরপর লগইন করুন । নিচের পেজটার মত আসবে
এখানে আপনি অনেক গুলা টপিকস দেখতে পারবেন। এর মধ্যে “Introduction” টপিকসটা খুজুন এবং ক্লিক করুন।
“Start New Topic” এ ক্লিক করুন ।
আপনি যেহেতু নতুন এই ফোরাম এ তাই এখানে কিছু লেখেন।
সাবমিট করুন ফোরামপোস্টিং হয়ে গেল। এইভাবে স্টার্ট করুন। এরপর বিভিন্ন টপিকস এর সম্পর্কে জানার বা বলার ইচ্ছা থাকলে পোস্ট করুন। এখন হচ্ছে আমাদের আসল কাজ। এই করে কি ভাবে আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইট প্রচার হবে। হ্যাঁ সেইটা এবার বলছি। আপনি এবার প্রোফাইল থেকে সেটিং এ যান।
এখান থেকে “Signature” বাটন এ ক্লিক করুন।
নিচের পেজটি আসবেঃ
এই বক্সে আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইট এর টাইটেল টি লিখুন।ধরুন টাইটেল”Entertainment World”। এখন এটা সম্পূর্ণ ব্লক করুন অথবা Ctrl+a চাপুন। নিচের ছবিটার মত দেখাবে।
এখানে উপরের টুলবার থেকে লিঙ্ক নামক একটা টুলবার পাবেন, ব্লক অবস্থাই লিঙ্ক নামক টুলবার এ ক্লিক করুন। তাহলে নিচের ছবিটার মত দেখাবেঃ
এখানে আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইট এর ঠিকানা দিন। এবং ওকে বাটন এ ক্লিক করুন। এবার নিচে সেভ বাটন এ ক্লিক করুন। হয়ে গেল আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইট এর প্রচার। এখন দেখেন আপনি যখন কোন পোস্ট করবেন তখনি আপনার পোস্ট এর নিচে লিঙ্কটা শো করবে । নিচের ছবিটার মত দেখাবেঃ
হয়ে গেল আমাদের ফোরাম পোস্টিং । পোস্ট টি ভালো বা খারাপ হলে জানাবেন। কমেন্ট করতে ভুলবেন না।
গুগল এ্যাডসেন্স ও টেকটিউনসের অবদান। একটি অনুপ্রেরণামূলক টিউন
জুন 4, 2012
গুগল এ্যাডসেন্স ও টেকটিউনসের অবদান। একটি অনুপ্রেরণামূলক টিউন
সবাইকে সালাম জানিয়ে আজকের এই অনুপ্রেরণামুলক টিউনটি শুরু করছি। কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভাল। আজকে আমি আপনাদের সাথে গুগল এ্যাডসেন্স নিয়ে কিছু বিষয় শেয়ার করব। বলা যায়, এই টিউনেই আপনি গুগল এ্যাডসেন্স এর সব কিছুই পাবেন। তো, চলুন শুরু করা যাক।
ভুমিকাঃ
আমি একজন এ্যাডসেন্স পাবলিশার। বর্তমানে মাসে প্রায় ২৫০-৩২০ ডলার পর্যন্ত ইনকাম করে থাকি গুগল এ্যাডসেন্স থেকে। আমাকে যারা চিনেন, তারা হয়তো এটাও জানেন আমি ওয়েব সাইট তৈরি করা থেকে গুগল এ্যাডসেন্স থেকে টাকা ইনকাম পর্যন্ত সব সময় টেকটিউনস এর সাথে ছিলাম। কিভাবে? এই পোস্টে আমি আমার নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো, যাতে আপনারাও বুঝতে পারেন কিভাবে কি করতে হবে। তাহলে চলুন একটু পিছনে ফিরে যাই।
যাত্রা হল শুরুঃ ফেসবুক ছাড়া আর কিছুই চিনি না।
হ্যাঁ! সত্যি কথা বলছি। ২০০৯ সালেও আমি ফেসবুক ছাড়া আর কিছু চিনতাম না। কিন্তু, বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় গুগল থেকে টাকা ইনকাম করা যায় এই ধরণের লেখা পড়ে উৎসাহিত হতাম। কিন্তু, বুঝতে পারতাম কিভাবে কি শুরু করব। অবশেষে এল সেই দিন! একদিন AIUB এর এক বড় ভাই আমার কম্পিউটারে একটা ভাইরাস ঢুকিয়ে দিল। আমি যখন এ কম্পিউটার অন করি, ৫ সেকেন্ড পড়ে আবার বন্ধ হয়ে যায়। মাথায় কিচ্ছু ঢুকছে না। কেন এমন হচ্ছে? কি ধরতে পেরেছেন? হ্যাঁ, তিনি আমার কম্পিউটারে একটা অটরান ভাইরাস স্টার্টআপে ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন। পড়ে অবশ্য উনিই সেটা ঠিক করে দেন। তো, আমি উনাকে বললাম, এইটা কিভাবে করলেন? তিনি আমাকে বললেন, টেকটিউনস নামে একটা ব্লগ আছে সেখান থেকে শিখেছি। আমি উনার কাছে লিঙ্ক চাইলাম। উনি আমাকে লিঙ্ক দিলেন। সেদিন কত তারিখ ছিল জানেন? ২২ শে আগস্ট ২০০৯. সেদিন থেকেই টেকটিউনস এর সাথে আমার পরিচয়। এক নজর দেখেই টেকটিউনসএর প্রেমে পড়ে গেলাম। কত্ত কিছু জানতে পারছি টিটির কারণে। কিছুদিন পর হঠাত দেখলাম শুধু মাত্র পিটিসি নিয়ে দৈনিক ৩/৪ টা করে টিউন। সবাই বলছে ক্লিক কর, টাকা ইনকাম কর। আমি মনে মনে ভাবলাম বাহ, এত সোজা। বসে বসে ক্লিক মারা শুধু করলাম। কিন্তু, একি মাস শেষ হয়ে যায়। টাকা তো আর চোখে দেখি না। এমন সময় একজন ত্রাণকর্তা হাজির হলেন। কে জানেন? তাহের চৌধুরী সুমন ভাই। তিনি শুরু করলেন পিটিসি র বিরুদ্ধে লেখা। সবাইকে সজাগ করতে লাগলেন। আর গুগল এ্যাডসেন্স নিয়ে একের পর এক এটম বোমা টাইপের টিউন প্রসব (!) করতে শুরু করলেন। তখন থেকেই আমার মাথায় শুধু ঘুরপাক খাচ্ছিল, কিভাবে গুগল থেকে টাকা ইনকাম শুরু করবো। এইবার সব বাদ দিয়ে গুগল এ্যাডসেন্স নিয়ে যত লেখা আছে, সব খোঁজা শুরু করলাম। অনেক টিউন পড়ার পর প্রথমে যেটা উপলব্ধি করলাম তা হল, গুগল এ্যাডসেন্স থেকে টাকা ইনকাম করতে প্রথমে আমার একটা ওয়েব সাইট লাগবে। কিন্তু, টাকা কথায় পাব? সাইট ডিজাইন কে করবে (আমি তখন ডিজাইন ও ডেভেলপ জানতাম না)? কি নিয়ে শুরু করবো? কিচ্ছু খুঁজে পাচ্ছিলাম না। এমন সময় আরেক ত্রাণকর্তারা এসে উপস্থিত! কে জানেন? নিশাচর নাঈম আর সাব্বির আলম (টিটিতে উনাদের অর্ধেক টিউন মনে হয় ব্লগস্পট নিয়ে)! বুঝে গেলাম কিভাবে ফ্রীতে সাইট করা যায়! এবার আমার যাত্রা শুরু।
বিষয় নির্বাচন নিয়ে মহা বিপদঃ
এদের টিউনের উপর ভিত্তি করে শুরু ব্লগারে একাউন্ট খুললাম। এবার আরেকটা টেনশন এ পরলাম। একাউন্ট তো খুললাম, কিন্তু কি বিষয়ে আমি ব্লগিং করবো? এবার বিষয় খুঁজে পাচ্ছিনা। মহা টেনশন! অবশেষে আবার আরেক ত্রাণকর্তার খোঁজ পেলাম? এবার কে জানেন? জিন্নাতুল হাসান ভাইয়ের বাংলা ব্লগটি। সেখানে নাম মনে নেই এক লেখকের টিউনে জানতে পারলাম যে, আপনি যেই বিষয়টি খুব ভালো জানেন, সেই বিষয় টি নিয়ে ব্লগিং শুরু করেন। এবার আবার চিন্তা শুরু হলঃ আমি কোন বিষয়টা ভালো জানি? (আমার কাছে মনে হয় আমি দুনিয়ার সব ই জানি। হা…হা…হা…) আমি তখন প্রচুর বই পরতাম। আচমকা মাথায় আইডিয়া এল যে, আমি যদি ই-বুক নিয়ে সাইট করে কেমন হয়? যেই ভাবা সেই কাজ। শুরু করলাম ই-বুক নিয়ে কাজ। অবশেষে একটা সাইট দাড়করালাম ই-বুক নিয়ে। কিন্তু সাইটে তো বই আছে ঠিকই, ভিজিটর কই? আবার সমস্যা? সাইতে ভিজিটর নেই। Sowrdfish মাহবুব ভাইকে একদিন জিজ্ঞেস করলাম, তিনি বললেন SEO করতে। আমি তখন SEO এর ফুল মিনিং ও জানিনা। আবার মাহবুব ভাই সমাধান দিলেন। বললেন টিটি তে SEO নিয়ে অনেক টিউন হয়, সেগুলো ফলো করেন। শুরু হল SEO (Search Engine Optimization) গবেষণা। ২/১ মাস পর মুটামুটি দৈনিক ২০০/৩০০ বার সাইট ভিজিট হয়। (কি হাসি পাচ্ছে? SEO করার পর দৈনিক মাত্র ২০০/৩০০ বার ভিজিট? গল্প কিন্তু শেষ নয়! সেদিনকার সেই SEO আজকে আমার সাইটে দৈনিক ১৫০০ ইউনিক ভিসিটর এনে দেয়, আর টুটাল সাইট ভিসিট হয় ১১,০০০ বারের ও বেশি। সেই গল্পে পড়ে আসছি)
প্রথম বারের মত এ্যাডসেন্সের জন্যে আবেদনঃ
এইবার মুটামুটি নিশ্চিত হলাম যে, হ্যাঁ এখন আমি এ্যাডসেন্স একাউন্ট এর জন্যে আবেদন করতে পারি! (তখন কি আর আমি জানতাম যে রাস্তা আরও বহু দুরের?) তো, টিটি-তে এ্যাডসেন্স এ্যাকাউন্ট করার নিয়ম অনুযায়ী গুগল এ রিকুয়েস্ট করলাম। ৪ দিন পর রিপ্লে এল, আমার এ্যাকাউন্ট এক্টিভ হয়নি। কারণ, Unacceptable content. আবার টিটির সরানাপন্ন হলাম। সবাই বলল, আপনি এ্যাডসেন্স এর নীতিমালা পরেছেন? আমি বললাম না। তখন জিন্নাতুল হাসান ভাইয়ের ব্লগে গেলাম। সেখানে তাহের চৌধুরী সুমন ভাইয়ের কিছু লেখা দেখে বুঝতে পারলাম আমার সাইটে আরও ভালো মানের কন্টেন্ট লাগবে, ভিসিটর আরও বেশি লাগবে, আরও বেশি পেজভিউ লাগবে। ঠিক আছে। আশা ছারলাম না। আবারও শুরু করলাম। (ঘুরে ফিরে আবার SEO তে যাওয়া লাগলো)।
ভিসিটর বাড়ছে, বিশ্বাস ও বাড়ছেঃ
দেখতে দেখতে এক বছর পার হয়ে গেলো। আমার ভিসিটর ও বাড়া শুরু হল। আমিও টিটি থেকে ওয়েব ডিজাইনিং শিখে নিয়েছি। জুমলার উপর মুটামুটি হাফেজ হয়ে গেলাম। এইবার নিজের মানসিকতার ও পরিবর্তন করলাম। সিদ্ধান্ত নিলাম, টাকা ইনকাম করতে পারি আর না পারি, দৈনিকই আমি আমার সাইটে নিত্য-নতুন বই আপলোড করবো। অবশেষে, একদিন ৩০০০ টাকা খরচ করে ডোমেইন আর হোস্টিং কিনলাম। জুমলা দিয়ে সাইটটা খুব ভালো করে ডিজাইন করলাম। টাকার চিন্তা বাদ দিয়ে শখের বশে শুরু করলাম ব্লগিং। (তাই বলে ভাববেন না যে, আমি এ্যাডসেন্সের জন্যে আবেদন করা বন্ধ রেখেছি!!) ঠিক মত পোস্ট করি, ঠিক মত SEO করি, নিয়মিত ভিসিটরদের চাহিদার প্রতি খেয়াল রাখি। আমার তখন দৈনিক সাইট ভিসিট হয় ১২০০ বারের উপর। এ্যাডসেন্স পাই আর না পাই, নিজেকে সার্থক মনে হতে লাগলো। কে জানতে এরই মধ্যে আমি আরও এক জায়গায় সফল হয়ে যাচ্ছি!!!!!!!!!!!!!!
অবশেষে পেলাম সোনার হরিণ খ্যাত গুগল এ্যাডসেন্সঃ

গত বছর রুজার ঈদের আগের দিন আমার জিমেইল এ একটা মেইল এলো গুগল থেকে। এ্যাডসেন্স একাউন্ট কিভাবে পেয়েছি তা জানতে এখানে যান।
এক্যাউন্ট তো পেয়েছি, কোড বসাবো কোথায়?

হ্যাঁ, আমি এখন মুটামুটি সফল একাউন্ট পেয়ে গেছি। কিন্তু, সমস্যা হচ্ছে কোথায় কোথায় এ্যাডের কোড বসাবো? এবার আবার ত্রাণকর্তা তাহের চৌধুরী সুমন ভাই। তার একটা টিউন থেকে জানতে পারলাম কোথায় এ্যাড কোড বসাতে হবে? কিভাবে বসাতে হবে? একটা পেজ এ সরবুচ্চ কয়টা লিঙ্ক এ্যাড বসাতে পারব, কয়টা টেক্সট/ইমেজ/ব্যানার এ্যাড বসাতে পারব? এইসব। তার টিউন মত সব বসালাম। এবার অপেক্ষা টাকা আর টাকা ইনকামের। হায়রে, টাকা আর টাকা। টাকা আর টাকা। টাকা আর টাকা। টাকা আর টাকা। (আমি কি তখন যানতাম, রাস্তা আরও অনেক দূর?!) এরই মধ্যে তাহের ভাইয়ের সেই বিখ্যাত টিউনের লিঙ্ক আমাকে পাঠিয়ে দিলেন “গুগল এডসেন্স ধারীরা সাবধান হোন : এডসেন্স ব্যান এড়াতে টিউনটিতে বিশেষ দৃষ্টি দিন” বলেন তো দেখি, এ্যাডসেন্স পাওয়ার সাথে সাথে যদি কেউ এমন হুমকি দেয় মেজাজ টা কেমন লাগে????? (ভাগ্য ভালো, সেদিন উনি লিঙ্কটা দিয়েছিলেন। নয়তো কবেই আমার একাউন্ট পটল তুলত)
মাস শেষ হয়ে গেলো, ইনকাম মাত্র ১৬ সেন্ট????
একমাস হয়ে গেলো। আমার ইনকাম হল মাত্র ১৬ সেন্ট? ক্লিক ও পড়ে কম। অথচ ভিসিট হয় ১২০০+. বিশ্বাস যায়? (পরের মাসের ইনকাম শুনলে লাফ দিবেন) আবার টিটির সরনাপন্ন হলাম। সবাই বলল, আপনি যে SEO করার সময় যেই সব Keyword ব্যবহার করছেন, সেগুলোর ক্লিকের দাম কম, তাই আপনার ইনকাম ও কম। এবার আবার শুরু হল কি-ওয়ারড রিসার্চ। অবশেষে ১ মাস পর আমার এক্যাউন্ট এ দেখি ১১৩ ডলার ৮০ সেন্ট! হয়তো, অনেক কম টাকা কিন্তু একাউন্ট পাওয়ার ২ মাস পর ১১৩ ডলার আমার মত ছেলের জন্যে অনেক ছিল। অবশেষে গুগল আমার চেক ইস্যু করল। পাঠিয়ে দিল আমার আড়াই বছরের কষ্টার্জিত ১১৩ ডলার ৮০ সেন্ট!!!!
সময় এবার অপেক্ষার! কখন আসবে সেই চেক???
চেক আর আসেনা। সময় ও যেন কাটেনা। (কেন জানিনা এই সময়টায় আমি “সময় যেন কাটেনা” গানটা একটু বেশি শুনেছি) তাহের ভাইকে ফোন দেই আর বলি ভাই আমার চেক তো এলো না, তাহের ভাই বলে অপেক্ষা করেন, চলে আসেবে। শাকিল আরেফীন ভাইকেও ফোন দেই আর বলি ভাই আমার চেক তো এলো না, তাহের ভাই বলে অপেক্ষা করেন, চলে আসেবে। একই ভাবে ফোন দেই, Sowrdfish মাহবুব ভাইকেও। সবাই বলে অপেক্ষা করেন, চলে আসবে। আমিও তখন মনকে বুঝাই, অপেক্ষা কর, চলে আসবে!!!!!!!!!
অবশেষে এল স্বপ্নের সেই এ্যাডসেন্স চেক !!!!!!!!!!!!!!!!

২৭ দিন পর অফিসে এসে ডাকপিয়ন আমাকে গুগল এর চেক দিয়ে যায়। মনটা যে কি খুসি লাগছিল বুঝাতে পারবনা। ঠিক এখন আপনাদের কাছে যেমন লাগছে, আমার কাছে তার চেয়ে বেশি লেগেছি। আড়াই বছর চাষ করার পর আজ প্রথম আমি ফসল পেলাম। সাথে সাথে সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলাম। টিটিকে জানাল, তাহের ভাইকে জানাল, মাহবুব ভাইকে জানালাম, শাকিল আরেফিন ভাইকে জানালাম, আসিফ পাগলা সাব্বির ভাইকেও জানালাম। টেক্টিউন্স এর সবাইকে জানালাম। অন্য রকম একটা দিন উদযাপন করলাম। আর স্বপ্ন দেখতে লাগলাম প্রতি মাসে একটা করে গুগলের চেকের। (কে জানতে কয়দিন পর আমার উপর দিয়ে একটা ঝড় যাবে???)
চেক ভাঙ্গাতে গিয়ে মহা বিপদঃ কোন ব্যাংকে ভাঙ্গাবোঃ

চেক ভাঙ্গাতে গিয়ে কি বিপদে পরেছি তা জানতে এখানে জান। অবশেষে যদি ও আমি ইসলামী ব্যাংক থেকেই চেক ভাঙ্গিয়েছি। সময় লেগেছে ২০ দিনের মত, টাকা কেটেছে প্রথম বার ১৬০২ টাকা। তবে পরের বার থেকে নাকি এত কাটবে না। সর্বোচ্চ ৬০০ কাটবে। প্রথম বার দেখে ওদের সিস্টেম এ কিছু ভুল ছিল।
“অতি লোভে তাঁতি নস্ট” মরতে মরতে বেঁচে গিয়েছিঃ
তখন আমার দৈনিক ২ ডলারের কাছাকাছি ইনকাম হত। হটাত একদিন মাথায় দুষ্টু বুদ্দি চেপে বসলো। কি জানেন? IP Hide করে নিজের এ্যাড এ নিজে ক্লিক দেয়ার সিদ্দান্ত। যেই ভাবা সেই কাজ। দিলাম আমার আই পি হাইড করে America র আইপি বানিয়ে। আর সাইটে গিয়ে দিলাম ৪ টা ক্লিক! ৩/৪ ঘন্টা পর দেখি আমার একাউন্ট এ জমা পরছে ২২ ডলার। মাথা নস্ট। এখন থেকে দৈনিক আইপি হাইড করে ক্লিক দেবো। হতাত, সন্দেহ হল যে আমার আইপি কি গুগল ধরতে পারবে? দিলাম গুগলে সার্চ “What is my real IP?”. ওমা! আমার তো দেখি আসল আই পি শো করছে!!!!! সাথে সাথে তাহের ভাইকে ফোন, ভাই এখন কি করবো? উনি প্রথমে ছোট ভাইয়ের মত ইচ্ছামত শাসালেন। আর বললেন পেজভিউ কত? বললাম যে ৩০০০ এর বেশি। উনি বললেন, যা করছে তা তো আর ফিরে পাওয়া জাবেনা, তবে জীবনে ও আর এই কাজ করেন না। আমি বললাম আচ্ছা। বিশ্বাস করুন, আমি আর জীবনে ও এই কাজ করিনি আর করবো ও না। সেশে দেখা যাবে, আম যাবে, ছালাও যাবে। তাই, এই সব বাদ ঠিক পথে ইনকাম শুরু করলাম। আর সবাইকে জানাতে লাগলাম যে, আমার সাইটে প্রচুর পরিমাণে বই পাওয়া যায়। এইসব করে ভিসিটর বারাতে লাগলাম। (কে জানত যে আমি ঠিক পথে থাকলেও, কিছু মানুষ ইতিমধ্যেই আমার ক্ষতি করা শুরু করছে??????)
লিঙ্ক শেয়ার করে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারলাম!!
সামু তে একদিন গিয়ে দেখি এক জন হুমায়ুন আহমেদ এর বই খুঁজছে। বেচারার প্রতি সদয় হয়ে আমি আমার ওয়েব সাইটের লিঙ্কটা সামুতে শেয়ার করলাম। (নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারলাম) তো, আমি ঘন্টাখানেক পড়ে আমার এ্যাডসেন্স এ্যাকাউন্ট এ গিয়ে দেখি ক্লিক পরেছে ১৩০ টা!!!!!!!!!! ইনকাম হয়েছে ৪৫ ডলার!!!!!! কি? খুব খুসি লাগছে শুনে? না? আমার কপাল ভালো যে, আমি সেইদিন এত ইনকাম দেখে খুসি হতে পারিনি। যদি খুসি হতাম। তাহলে আমার একাউন্ট আর থাকতো না! কিচ্ছু বুঝতে পারছি কি করব? উপায় না সাইটই অফলাইনে নিয়ে গেলাম। এখন আবার চিন্তা সাইট যদি ভিসিট না হয়, তাহলে পেজভিউ বারবে না। পেজ CTR 15 এর উপরে। যেখান ১০ হলেই বিনা নোটিসে একাউন্ট ব্যান হয়, সেখানে ১৫!!!!!!!!!!!! ভাবা ঝায়???? আবার ফোন দিলাম তাহের ভাইকে (জেখানেই বিপদ, সেখানেই তাহের ভাই) তিনি আমাকে বললেন, আপনার এ্যাডের কোডগুলো আপাতত ব্লক করে দেন। তাহলে পেজভিউ বারবে, কিন্তু কোন ক্লিক পরলে গুগল কাউন্ট করবে না। উনার কথামত এ্যাড কোড ব্লক করে দিলাম। কিছুক্ষন পর দেখি আমার পেজ CTR কমা শুরু হইছে। আর সেই ৪৫ ডলার মাইনাস হয়ে Real Income ৩ ডলার দেখাচ্ছে। (শালা কত্ত খারাপ! ৪৫ ডলার যখন দিছিলি, তখন মাইনাস করলি কেন?) অল্পের উপর দিয়ে বেঁচে গেলাম। তবে বিশ্বাস করুন, আমি এখন ভয়ে আছি সেই দিনের ঘটনার জন্যেই না আমার এ্যাকাউন্ট ব্যান হয়ে যায়! আমার জন্যে একটু দোয়া কইরেন।
শেষ কথাঃ
জীবনে কোনদিন আমি এত বড় টিউন করিনি। আজ করেছি শুধু মাত্র আপনাদের জন্যে। কেন জানেন, যেন আপনারাও আমার মত ইনকাম করতে পারেন। এই টিউনটা আমি উৎসর্গ করছি তাহের চৌধুরী সুমন ভাই-কে। যার সহযোগিতা না পেলে এটুকু আসা সম্ভব হত না। (পুরা টিউনে আপ্নারা উনার সহযোগিতা নিশ্চয়ই দেখেছেন?) একটা কথা ভুলে গেছি, এই তাহের ভাই কে কিন্তু আমি পেয়েছি Sowrdfish মাহবুব ভাইয়ের মাধ্যমে। মাহবুব ভাই ই আমাকে একদিন তাহের ভাইয়ের নাম্বার দেয়। সুতরা, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি sowrdfish মাহবুব ভাইয়ের নিকট। এছাড়াও শাকিল আরেফিন ভাই আমাকে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করেছেন টাকা ক্যাশ করানোর সময়। আর সাব্বির আলম ভাইয়ের অবদান তো অনস্বীকার্য। তার ব্লগস্পটের টিউনের কল্যাণেই তো আমার পথচলা শুরু।
অনেক কস্ট করে এই টিউন টি পড়ার জন্যে আপনাদের সবাইকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানাই।













